আমাদেরবাংলাদেশ ডেস্ক।। পবিত্র হজের দ্বিতীয় দিনের আনুষ্ঠানিকতায় মিনায় সারাদিন ইবাদত এবং নিজেদের গুনাহ মাফের জন্য আল্লাহ’র জিকির করবেন হজযাত্রীরা। এরপর, বৃহস্পতিবার আরাফাত ময়দানে গিয়ে খুৎবা শুনবেন হজ পালনকারীরা। আরাফাত ময়দানে সূর্যাস্ত পর্যন্ত অবস্থান করে সন্ধ্যায় মুজদালিফায় যাবেন তারা।
মুজদালিফায় রাত যাপন করে পরদিন শয়তানের উদ্দেশে পাথর ছুঁড়বেন হজব্রত পালনকারীরা। পরে আবার মিনায় ফেরত গিয়ে আল্লাহর সন্তষ্টির জন্য পশু কোরবানি দেবেন।
করোনা মহামারীতে এবার ভিন্ন প্রেক্ষাপটে পালিত হচ্ছে পবিত্র হজ। গত ৯০ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম সৌদি আরবের বাইরে থেকে কেউ হজে অংশ নিতে পারছেন না। দেশটিতে বসবাসকারী স্থানীয় ও বিদেশি মিলিয়ে মাত্র ১০ হাজারের মতো মানুষ অংশ নিচ্ছেন এবারের হজে।
এবার হজে অংশগ্রহণকারীদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তায় নেয়া হয়েছে বেশ কিছু পদক্ষেপ। সুস্থতা এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। প্রতি ৫০ জন হজ পালনকারীর জন্য একজন করে স্বাস্থ্য নেতা নিয়োগ করেছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। এছাড়া করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে এবার প্রত্যেককে বাধ্যতামূলক মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। এমনকি হজের সময় কাবা শরীফ স্পর্শ বা চুম্বন করা যাবে না। বজায় রাখতে হবে দেড় মিটার শারীরিক দূরত্ব। তাওয়াফ, নামাজসহ প্রতিটি কাজেই শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।